আমার পাশের পাড়ায় একটা গাছ কাটা হয়েছে আজ।
ভালো লাগলো না ব্যাপারটা। মন খারাপ ঠিক না, কিন্তু ওই আর কি।
আমি সুভাষ দত্ত নই। বইমেলা বাইপাসে গিয়ে আমার খুব অসুবিধা হয়েছে। কিন্তু ওই গাছটার কেস আলাদা।
ঠিক গাছ না। ওই একটা লতানো ব্যাপার। কিন্তু না কাটতে কাটতে সেটা প্রায় মহীরূহ হওয়ার দিকে পা বাড়িয়েছিল। সম্ভবত সেইজন্যেই "অতি দর্পে হত লঙ্কা......"
গাছ নিয়ে আসল সেন্টিমেন্ট না। সেন্টিমেন্ট ছিল ওই গাছে ঢাকা ব্যালকনিটার ওপর।
ব্যালকনিটার একপাশ দিয়ে ওই গাছটা নেমেছিল/উঠেছিল। তাই রাস্তার ওই পাশ দিয়ে হাঁটার সময় সামনে না এলে ব্যালকনিটা দ্যাখা যেত না।
আমি প্রথমবার মোবাইল নম্বর নিয়েছিলাম ওই ব্যালকনির তলায় দাঁড়িয়ে। ইশারায়।
কারন ভয় তো ছিলই, কিন্তু আসল কারন, ওর গলা দিয়ে সেদিন কোনো আওয়াজ বেরচ্ছিল না। হতচ্ছাড়া টনসিলের ঝামেলা হবি তো হ, সেইসময়ই হয়েছিল। নিজের নম্বর দিতে পারিনি, কারন তখন নিজের ফোন ছিল না।
আর ঝামেলাও কম হয়নি গাছটার জন্য। টিউশন পড়ে বেরিয়ে ফোন করেছি, ব্যালকনিতে আসতে, ঠিক ব্যালকনির সামনে এসে সেই অলৌকিক একগাল হাসি (আগের সারারাত আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে প্র্যাকটিস করা) নিয়ে উপরে তাকিয়েছি, দেখি ওর মা দাঁড়িয়ে ব্যালকনিতে। বেকায়দার চূড়ান্ত। কতবার তাই এই হতচ্ছাড়া গাছটার মৃত্যুকামনা করেছি তখন।
আজ সেটা হল। এতদিন পর। কিন্তু ভালো লাগলো না ব্যাপারটা।
ব্যালকনিবাসিনী আগেই গিয়েছিলেন। এবার সেই চেনা ব্যালকনির ছবিটাও পাল্টে গ্যালো আজ থেকে।
হতচ্ছাড়া গাছটা বেঁচে থেকে কম জ্বালায়নি।
মরে গিয়েও সে স্বভাব গ্যালো না হারামজাদার।
ভালো লাগলো না ব্যাপারটা। মন খারাপ ঠিক না, কিন্তু ওই আর কি।
আমি সুভাষ দত্ত নই। বইমেলা বাইপাসে গিয়ে আমার খুব অসুবিধা হয়েছে। কিন্তু ওই গাছটার কেস আলাদা।
ঠিক গাছ না। ওই একটা লতানো ব্যাপার। কিন্তু না কাটতে কাটতে সেটা প্রায় মহীরূহ হওয়ার দিকে পা বাড়িয়েছিল। সম্ভবত সেইজন্যেই "অতি দর্পে হত লঙ্কা......"
গাছ নিয়ে আসল সেন্টিমেন্ট না। সেন্টিমেন্ট ছিল ওই গাছে ঢাকা ব্যালকনিটার ওপর।
ব্যালকনিটার একপাশ দিয়ে ওই গাছটা নেমেছিল/উঠেছিল। তাই রাস্তার ওই পাশ দিয়ে হাঁটার সময় সামনে না এলে ব্যালকনিটা দ্যাখা যেত না।
আমি প্রথমবার মোবাইল নম্বর নিয়েছিলাম ওই ব্যালকনির তলায় দাঁড়িয়ে। ইশারায়।
কারন ভয় তো ছিলই, কিন্তু আসল কারন, ওর গলা দিয়ে সেদিন কোনো আওয়াজ বেরচ্ছিল না। হতচ্ছাড়া টনসিলের ঝামেলা হবি তো হ, সেইসময়ই হয়েছিল। নিজের নম্বর দিতে পারিনি, কারন তখন নিজের ফোন ছিল না।
আর ঝামেলাও কম হয়নি গাছটার জন্য। টিউশন পড়ে বেরিয়ে ফোন করেছি, ব্যালকনিতে আসতে, ঠিক ব্যালকনির সামনে এসে সেই অলৌকিক একগাল হাসি (আগের সারারাত আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে প্র্যাকটিস করা) নিয়ে উপরে তাকিয়েছি, দেখি ওর মা দাঁড়িয়ে ব্যালকনিতে। বেকায়দার চূড়ান্ত। কতবার তাই এই হতচ্ছাড়া গাছটার মৃত্যুকামনা করেছি তখন।
আজ সেটা হল। এতদিন পর। কিন্তু ভালো লাগলো না ব্যাপারটা।
ব্যালকনিবাসিনী আগেই গিয়েছিলেন। এবার সেই চেনা ব্যালকনির ছবিটাও পাল্টে গ্যালো আজ থেকে।
হতচ্ছাড়া গাছটা বেঁচে থেকে কম জ্বালায়নি।
মরে গিয়েও সে স্বভাব গ্যালো না হারামজাদার।
No comments:
Post a Comment