আজ একটা কাজে দিদির বাড়ি কামারহাটি যেতে হয়েছিল। কাজ বলতে ওই ইন্সিওরেন্সের টাকা দিতে গেছিলাম। ইন্সিওরেন্স নিয়ে আরেকদিন বড় করে লিখব। কিভাবে আমার বাবা-মা-আমি নিজে মরে গিয়ে নাকের বদলে নরুন পেয়ে বড়লোক হব, তাই নিয়ে একটা লেখা(noun) লেখা(verb) যেতেই পারে।
কিন্তু আজ অন্য জিনিস নিয়ে লিখব।
ফেরার সময় বাসস্ট্যান্ড থেকেই বাসে ওঠার কথা আমার। তাও আমি তাড়া ছিল বলে একটা ভিড় বাসেই উঠলাম। পরের বাসে উঠতেই পারতাম(অবশ্য সব বাসই "পরের বাস" আমার কাছে। নিজের বাস তো আর হল না এ জন্মে), তাও এটাতেই উঠলাম।
ডানলপ এসেছি। জায়গা জোটেনি। এবার দেখলাম, ভিড় বাসে লেডিস সিটের সামনে এক মাঝবয়েসী লোক দাঁড়িয়ে। তখন অবধি জানতাম না, উনি কেবলমাত্র লোক। মানে লোক শব্দটার আগে যে Prefix টা আমরা বাঙালিরা সচরাচর ব্যবহার করি, ওনাকে প্রথমে তাই ভেবেছিলাম। পরে দেখলাম, উনি আদপেও সেটা নন।
ক্যানো? কারন দেখলাম, উনি সিটের ধারে বসা মেয়েটাকে(হ্যাঁ, মেয়ে, প্রায় আমাদের বয়সী) বিরক্ত করছেন। মানে কেউ কিছু explicit করছেন বা বলছেন না, কিন্তু মেয়েটার মুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছে তার অস্বস্তি হচ্ছে।
ব্যাস। জেগে উঠলো chivalry। এবার যেহেতু দুজনেই চুপচাপ, তাই বীর হতে গেলে কেস ঘুরে যেতে পারে। একবার চন্দ্রিলের একটা লেখা পড়েছিলাম, "বাঘ, ঘোগ ও চোখভোগ" বলে। সেই টোটকা ব্যবহার করা যেতে পারে, একটু মডিফাই করে, এই ভেবে এগোলাম।
ওই লোকটার কাছে দাঁড়ালাম, এক্কেবারে গা ঘেঁষে। তারপর direct জয় নিতাই হয়ে গেলাম(মানে মালটার কানের পাশ দিয়ে হাত তুলে রড ধরলাম)।
ব্যাস। তারপর শুরু হয়ে গ্যালো ডজ-ড্রিবল-ট্যাকল। তিনি বামপন্থী(বাঁ দিকে ঝুল খাচ্ছেন) তো আমি ডানপন্থী। বা তিনি প্রতিক্রিয়াশীল হলে আমি উগ্রপন্থী। এক আধবার ফাউল হল।
-"ব্যাগ সামনে নাও"
-"সামনে নিলে কি কম জায়গা লাগবে?"
-"আমার গুঁতো লাগছে"
-"আমারও লাগছে। আমি কি আপনাকে বলছি ডান হাত খুলে অন্য জায়গায় রাখতে?"
ইতিমধ্যে শ্যামবাজার এসে গ্যালো। মেয়েটি একবার আমার দিকে তাকিয়ে হেসে নেমে গ্যালো।
এটা নিয়ে অনায়াসে একটা মিষ্টি প্রেমের সিনেমা হতেই পারে। Starring হুমা খুরেশি।
শেষটা যদিও বিয়োগান্তক। এবং জঘন্য।
কারন ওই লোকটা মেয়েটার ছেড়ে যাওয়া সিটেই বসল।
আমি গোটা রাস্তাটা দাঁড়িয়ে এলাম।
কোনো মানে হয় !
কিন্তু আজ অন্য জিনিস নিয়ে লিখব।
ফেরার সময় বাসস্ট্যান্ড থেকেই বাসে ওঠার কথা আমার। তাও আমি তাড়া ছিল বলে একটা ভিড় বাসেই উঠলাম। পরের বাসে উঠতেই পারতাম(অবশ্য সব বাসই "পরের বাস" আমার কাছে। নিজের বাস তো আর হল না এ জন্মে), তাও এটাতেই উঠলাম।
ডানলপ এসেছি। জায়গা জোটেনি। এবার দেখলাম, ভিড় বাসে লেডিস সিটের সামনে এক মাঝবয়েসী লোক দাঁড়িয়ে। তখন অবধি জানতাম না, উনি কেবলমাত্র লোক। মানে লোক শব্দটার আগে যে Prefix টা আমরা বাঙালিরা সচরাচর ব্যবহার করি, ওনাকে প্রথমে তাই ভেবেছিলাম। পরে দেখলাম, উনি আদপেও সেটা নন।
ক্যানো? কারন দেখলাম, উনি সিটের ধারে বসা মেয়েটাকে(হ্যাঁ, মেয়ে, প্রায় আমাদের বয়সী) বিরক্ত করছেন। মানে কেউ কিছু explicit করছেন বা বলছেন না, কিন্তু মেয়েটার মুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছে তার অস্বস্তি হচ্ছে।
ব্যাস। জেগে উঠলো chivalry। এবার যেহেতু দুজনেই চুপচাপ, তাই বীর হতে গেলে কেস ঘুরে যেতে পারে। একবার চন্দ্রিলের একটা লেখা পড়েছিলাম, "বাঘ, ঘোগ ও চোখভোগ" বলে। সেই টোটকা ব্যবহার করা যেতে পারে, একটু মডিফাই করে, এই ভেবে এগোলাম।
ওই লোকটার কাছে দাঁড়ালাম, এক্কেবারে গা ঘেঁষে। তারপর direct জয় নিতাই হয়ে গেলাম(মানে মালটার কানের পাশ দিয়ে হাত তুলে রড ধরলাম)।
ব্যাস। তারপর শুরু হয়ে গ্যালো ডজ-ড্রিবল-ট্যাকল। তিনি বামপন্থী(বাঁ দিকে ঝুল খাচ্ছেন) তো আমি ডানপন্থী। বা তিনি প্রতিক্রিয়াশীল হলে আমি উগ্রপন্থী। এক আধবার ফাউল হল।
-"ব্যাগ সামনে নাও"
-"সামনে নিলে কি কম জায়গা লাগবে?"
-"আমার গুঁতো লাগছে"
-"আমারও লাগছে। আমি কি আপনাকে বলছি ডান হাত খুলে অন্য জায়গায় রাখতে?"
ইতিমধ্যে শ্যামবাজার এসে গ্যালো। মেয়েটি একবার আমার দিকে তাকিয়ে হেসে নেমে গ্যালো।
এটা নিয়ে অনায়াসে একটা মিষ্টি প্রেমের সিনেমা হতেই পারে। Starring হুমা খুরেশি।
শেষটা যদিও বিয়োগান্তক। এবং জঘন্য।
কারন ওই লোকটা মেয়েটার ছেড়ে যাওয়া সিটেই বসল।
আমি গোটা রাস্তাটা দাঁড়িয়ে এলাম।
কোনো মানে হয় !
No comments:
Post a Comment